দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে চাহিদার তুলনায় যোগান কম হওয়া, অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট, মজুতদারি, জ্বালানি ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি, এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া। এছাড়া, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, চাঁদাবাজি এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির ফলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ে।
- কৃত্রিম সংকট ও মজুদদারি: অসাধু ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফার লোভে পণ্য গুদামজাত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে।
- বাজার সিন্ডিকেট: সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীরা যোগসাজশ করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্যহীনতা: পণ্য উৎপাদনের তুলনায় চাহিদ বেশি থাকলে বা আমদানিতে ঘাটতি হলে দাম বাড়ে।
- পরিবহন ও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি: জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বাড়লে পরিবহন খরচ ও সামগ্রিক উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়, যা পণ্যের মূল্যে প্রভাব ফেলে।
- আন্তর্জাতিক বাজার: বিশ্ববাজারে কাঁচামাল বা পণ্যের দাম বাড়লে, তা আমদানিকৃত পণ্যের ওপর প্রভাব ফেলে।
- রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা: হরতাল, অবরোধ বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হলে দাম বেড়ে যায়।
- মুদ্রাস্ফীতি: বাজারে অর্থের সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে সাধারণ মূল্যস্তর বেড়ে যায়, যাকে মুদ্রাস্ফীতি বলা হয়।
প্রতিকার: অসাধু সিন্ডিকেট দমন, সুষ্ঠু বাজার মনিটরিং, পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করা এবং উৎপাদন খরচ কমানোর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।