সংক্ষিপ্তভাবে, সাধুভাষার ক্ষেত্রে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো প্রযোজ্য:
১. তৎসম শব্দের আধিক্য: এই ভাষায় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি হয়।
২. ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের বিস্তারিত বা দীর্ঘ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'করিয়াছি', 'তাহারা')।
৩. অপরিবর্তনীয় ও কৃত্রিম: এটি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়মে চলে, তাই সহজে পরিবর্তিত হয় না।
৪. গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যপূর্ণ: এর প্রকাশভঙ্গি বেশ গুরুগম্ভীর এবং এটি মূলত রচনার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. বক্তৃতা ও নাটকের অনুপযোগী: জড়তা ও দীর্ঘ পদের কারণে এটি মৌখিক আলাপচারিতা বা সংলাপে মানানসই নয়।
২. ক্রিয়া ও সর্বনামের পূর্ণরূপ: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের বিস্তারিত বা দীর্ঘ রূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: 'করিয়াছি', 'তাহারা')।
৩. অপরিবর্তনীয় ও কৃত্রিম: এটি ব্যাকরণের সুনির্ধারিত নিয়মে চলে, তাই সহজে পরিবর্তিত হয় না।
৪. গুরুগম্ভীর ও আভিজাত্যপূর্ণ: এর প্রকাশভঙ্গি বেশ গুরুগম্ভীর এবং এটি মূলত রচনার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৫. বক্তৃতা ও নাটকের অনুপযোগী: জড়তা ও দীর্ঘ পদের কারণে এটি মৌখিক আলাপচারিতা বা সংলাপে মানানসই নয়।