শাহরিয়ার কবির রচিত "একাত্তরের যীশু" একটি জনপ্রিয় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিশু-কিশোর গল্প, যা ১৯৭১ সালের মে-জুন মাসে পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা এবং স্থানীয় দোসরদের অত্যাচারের প্রেক্ষাপটে রচিত।
- গল্পটি বৃদ্ধ ডেসমন ডি রোজারিওকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যিনি গ্রামের সবাই চলে গেলেও গির্জা ও যিশুর প্রতি ভালোবাসায় থেকে যান এবং শয়তানের মতো নীরবতার মাঝেও আশার আলো খোঁজেন।
গল্পের মূল বিষয়বস্তু ও পটভূমি:
- প্রেক্ষাপট: মে মাসের শুরুতে পাকিস্তানি সৈন্যরা গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে উত্তরে এগিয়ে আসায় সাধারণ মানুষ শালবনে বা ভারতে পালিয়ে যায়।
- ডেসমন দাদু: গির্জার ঘণ্টা বাজানো বৃদ্ধ ডেসমন ডি রোজারিও ফাদারের নির্দেশ সত্ত্বেও গ্রাম ছেড়ে যাননি।
- ভয়ঙ্কর নীরবতা: গ্রামের সবাই চলে যাওয়ায় চারদিকে এক অসহ্য নীরবতা ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যা ডেসমনকে তাড়িয়ে বেড়ায়।
- মূল বার্তা: গল্পটিতে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা, দেশপ্রেম, ত্যাগ এবং সবশেষে যিশুর মতো আর্তের পাশে দাঁড়ানোর প্রতীকী তাৎপর্য ফুটে উঠেছে।
চলচ্চিত্র রূপান্তর:
এই গল্পের ওপর ভিত্তি করে ১৯৯৩ সালে নাসির উদ্দিন ইউসুফ একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যেখানে পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হুমায়ুন ফরীদির মতো শিল্পীরা অভিনয় করেছেন।
এই গল্পের ওপর ভিত্তি করে ১৯৯৩ সালে নাসির উদ্দিন ইউসুফ একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, যেখানে পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং হুমায়ুন ফরীদির মতো শিল্পীরা অভিনয় করেছেন।