আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা
মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- ভৌগোলিক ভিন্নতা: নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষাকে উপভাষা বলা হয়
- উদাহরণ: ব্রিটিশ ইংরেজি, আমেরিকান ইংরেজি, বরিশালি, নোয়াখালীর ভাষা ইত্যাদি
- পার্থক্য: প্রমিত ভাষার সাথে উপভাষার উচ্চারন ও শব্দভাণ্ডারে পার্থক্য থাকে।