SDG Village মূলত এমন একটি সমন্বিত গ্রামীণ উন্নয়ন মডেল যেখানে এসডিজির লক্ষ্য গুলোকে কেবল নীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সরাসরি গ্রাম ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হবে। ২০২৬ সালের ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রথম পরীক্ষামূলক বা পাইলট হিসেবে তিনটি গ্রামকে এসডিজি ভিলেজ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। গ্রামগুলো হল
(১) রাঙ্গামাটির মিসিংগাছড়ি
(২) খুলনার দাপটের পানখালি
(৩) দিনাজপুরের নাফানগর
SDG Village প্রকল্পের উদ্দেশ্য:
- এই উদ্যোগে প্রধান উদ্দেশ্য হল গ্রামীণ দারিদ্র হ্রাস, মানসম্মত শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন খাদ্য পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
- পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি আধুনিকায়ন ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারকে উৎসাহিত করা।
বাংলাদেশে যেহেতু গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রভাব বেশি তাই শহরকেন্দ্রিক উন্নয়ন দিয়ে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয় এজন্য গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর কথা চিন্তা করে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
SDG Village প্রকল্পের সুবিধা ও সম্ভাব্য প্রভাব:
এসডিজি ভিলেজ বাস্তবায়িত হলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় বহুমাত্রিক উন্নয়ন ঘটতে পারে।
(ক) স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নিরাপদ পানি ও খাদ্য, স্যানিটেশন ব্যবস্থা নতুন কর্মসংস্থান, নারীদের কর্মসংস্থান ,আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি এবং গ্রামীন ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া সহজ হবে।
(খ) বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার জলবায়ু পরিবর্তন ঝুঁকি মোকাবেলায় সহায়ক হবে।
পরিশেষে, এসডিজি ভিলেজ বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প তিনটি পাইলট গ্রামের অভিজ্ঞতা ফলাফল ও সীমাবদ্ধতা বিশ্লেষণ করে দেশের সকল গ্রামে সম্প্রসারণ করা গেলে এটি বৈষম্য হ্রাসকারী ও পরিবেশ সম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করার কার্যকর হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে।





